Header Ads Widget

Put AdSense Code Here

ইন্দোনেশিয়ায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার অভিযান জোরদার: প্রাণহানি বেড়ে ২০

ADVERTISEMENT / বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ এগোচ্ছে এবং সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ২০ জনে পৌঁছেছে। দুর্গত এলাকাগুলোতে জীবিতদের সন্ধানে রাতদিন উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে জরুরি সেবা বিভাগের কর্মীরা। 


স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার পরপরই চরম আতঙ্কে মানুষ জন ঘরবাড়ি ছেড়ে ফাঁকা জায়গায় আশ্রয় নেন। তীব্র ঝাঁকুনিতে অসংখ্য বসতবাড়ি ও বাণিজ্যিক ভবন ভেঙে পড়েছে। দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, যা উদ্ধার তৎপরতায় অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। মাটির নিচে কিংবা ধসে পড়া কংক্রিটের আড়ালে এখনও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে মারাত্মক আশঙ্কাজনিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আটকে পড়া মানুষদের দ্রুত জীবিত উদ্ধার করতে ক্রেন ও ভারী যন্ত্রপাতির পাশাপাশি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

দেশটির স্বাস্থ্য খাতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু রোগীর চাপ অত্যাধিক হওয়ায় অনেক এলাকায় খোলা আকাশের নিচে অস্থায়ী তাঁবু খাটিয়ে জরুরি চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, আহতদের অনেকের অবস্থাই সংকটজনক। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে দুর্গতদের মাঝে জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানীয় জল ও ওষুধ বিতরণ শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, ভৌগোলিক গঠন ও অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়া অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। প্যাসিফিক 'রিং অব ফায়ার' বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয়ে অবস্থিত হওয়ায় এই দ্বীপাঞ্চলে ঘনঘন শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে। এর আগেও একাধিক ভয়াবহ ভূকম্পনে দেশটিতে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ইতিহাস রয়েছে।

আরএটিভি নিউজের পাঠকদের জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পরিস্থিতি এখনও সংবেদনশীল এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সর্বসাধারণকে সম্ভাব্য পরাঘাত বা আফটারশক সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠনে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র অনুসারে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে।

ADVERTISEMENT / বিজ্ঞাপন

Post a Comment

0 Comments